দীর্ঘ ২৮ বছর প্রতিক্ষার পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও, নানা বিতর্ক, অনিয়ম ও দলান্ধ ফ্যাসিস্ট ছাত্র প্রতিনিধিদের কারণে কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অনেক শিক্ষার্থীই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হন, বিরোধী পক্ষ নির্বাচন বর্জন করে, এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরাও ছাত্রদের কল্যাণে দৃশ্যমান কোন অগ্রাধিকার দেখাতে পারেনি। ফলে ডাকসুর বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কেবল নামমাত্র নির্বাচন নয়, বরং একটি কার্যকর, স্বচ্ছ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর ডাকসু প্রয়োজন, যা অতীতের গৌরবকে ধারণ করে বর্তমানের বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে।
বর্তমানে আমরা এমন এক সময়ে অবস্থান করছি, যেখানে শিক্ষার্থীদের চাহিদা, সমস্যা এবং সম্ভাবনা আগের চেয়ে অনেক বেশি জটিল, বহুমাত্রিক এবং গতিশীল। একদিকে যেমন রয়েছে বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি এবং প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকার চাপ, অন্যদিকে রয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য, যৌন নিরাপত্তা, লিঙ্গ বৈষম্য, ক্যাম্পাসে নিপীড়ন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার মতো অভ্যন্তরীণ সংকট। এ প্রেক্ষাপটে, একটি আধুনিক ও কার্যকর ডাকসুর দায়িত্ব শুধুমাত্র রাজনৈতিক বক্তৃতা, রুটিন মিছিল কিংবা আনুষ্ঠানিক দাবিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণে শিক্ষার্থীদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ডাকসু হতে হবে এমন এক নীতিনির্ধারনী মঞ্চ, যেখানে গণতন্ত্রের মূল চেতনা শুধু নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের মতামত, সমালোচনা ও পরামর্শের জায়গা থাকবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ডেটা বিশ্লেষণ, অভিযোগ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, এবং ক্যাম্পাস পরিচালনায় ডিজিটাল হেল্প ডেস্ক, মোবাইল অ্যাপস এবং ওয়েব পোর্টালের ব্যবহার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণকে আরও গতিশীল করে তুলতে পারে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, আবাসন সংকট, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তি, নারীদের নিরাপত্তা, এবং যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির মতো মানবিক দিকগুলো গুরুত্ব দিতে হবে। সেই সঙ্গে সমতার চেতনা নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ম, জাত, শ্রেণি, লিঙ্গ, মতাদর্শ নির্বিশেষে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মর্যাদা এবং অংশগ্রহণের অধিকার থাকবে নিশ্চিত। শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হবে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু।
রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ডাকসুর কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, যেখানে দলীয়করণ বা প্রশাসনিক প্রভাব কোনভাবেই স্থান পাবে না। বিগত কয়েক দশকে ডাকসু বহুবার ছাত্রসংগঠনের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং আধিপত্যই হয়ে দাঁড়িয়েছে মূল প্রবণতা। ফলে ডাকসুর মত একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হয়ে পড়েছে দলীয় স্বার্থের আশ্রয়। ২০১৯ এর ডাকসুতে আমরা সেটিই দেখেছি এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটেনি। হলে গেস্টরুম কালচার জারি ছিলো, জারি ছিলো নিপিড়ন। এমনকি তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি সেই সময়ের ভিপি নুরুল হক নুরও। ২০১৯ এর ডাকসু ছিলো দখলদারিত্বের রাজনীতির একটি আনুষ্ঠানিক রুপান্তর মাত্র। আমরা ক্যাম্পাসে আর সেই ফ্যাসিজমের রাজনীতি দেখতে চাইনা। এই অবস্থার পরিবর্তনে প্রার্থীদের নির্বাচন হবে পূর্ণ মেধা, নেতৃত্বদক্ষতা এবং জবাবদিহিতার ভিত্তিতে। প্রার্থী নির্বাচনের সময় তাদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পক্ষে কাজ করার নীতিগত প্রতিশ্রুতি এবং অতীতের কার্যক্রম বিবেচনায় রাখা দরকার। একটি ইনক্লুসিভ ডাকসু দরকার যেখানে ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে এবং মতাদর্শগত বিরোধ থাকলেও সেটি অতিক্রম করে , যৌক্তিক বিতর্ক ও সমাধানমুখী সংলাপের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর, একুশ শতকের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আধুনিক ডাকসু, যা কেবল অতীতের কাঠামো নয়; বর্তমানের প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল সংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে গড়ে উঠবে। বর্তমান প্রজন্ম বেড়ে উঠছে ডিজিটাল বাস্তবতায়। তাদের চাহিদা, যোগাযোগের ধরন এবং অংশগ্রহণের ভাষাও প্রযুক্তিনির্ভর। ফলে ডাকসুকে হতে হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন, দ্রুত, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে। রিয়েল-টাইম ফিডব্যাক সিস্টেম, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যা, প্রস্তাব বা মতামত সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে জমা দিতে পারবে, নিজস্ব আইডি ব্যবহার করে। এর জন্য প্রয়োজন একটি ইউজার-ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট এবং মোবাইল অ্যাপ, যা ২৪/৭ খোলা থাকবে এবং সকল তথ্য গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষিত থাকবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি অভিযোগের স্ট্যাটাস, আপডেট এবং সমাধানের অগ্রগতি শিক্ষার্থীরা রিয়েল-টাইমে ট্র্যাক করতে পারবে, যাতে সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়া হয় কার্যকর এবং বিশ্বাসযোগ্য। ডাকসুর যাবতীয় কর্মকাণ্ড যেমন বাজেট বরাদ্দ, মিটিংয়ের কার্যবিবরণী, প্রকল্প পরিকল্পনা, আর্থিক লেনদেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি ধাপ করতে হবে সম্পূর্ণ ডিজিটালি ডকুমেন্টেড ও ওপেন টু পাবলিক, যাতে যেকোনো শিক্ষার্থী স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সেগুলো পর্যালোচনা করতে পারে। এতে করে প্রশাসনিক অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা প্রভাব খাটানোর সংস্কৃতি বন্ধ হবে এবং শিক্ষার্থীদের আস্থাও তৈরি হবে।
নারী শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এখনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অধিকাংশ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীরা বহুবিধ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। বিশেষত যৌন হয়রানি, নিরাপত্তাহীনতা, সাইবার বুলিংসহ নানানরকম স্বাস্থ্যগত ইস্যুর মোকাবিলা করতে হয় তাদেরকে। অনেকে হয়রানির শিকার হওয়ার পরও নীরব থাকেন, কারণ সামাজিক ভয়, অপমানের আশঙ্কা, অথবা অভিযোগ পরবর্তী জনসমর্থনের সংকট তাদেরকে থমকে দেয়। এই নীরবতা ভাঙতে হলে প্রয়োজন কার্যকর নারী সহায়তা সেল দরকার। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে আলাদা মনিটরিং সেল ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, যেখানে গোপনীয়তা নিশ্চিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রশাসনিক কালক্ষেপণ নয়, থাকবে কার্যকর ও শিক্ষার্থী-বান্ধব নীতিমালা। ‘শুনছি, দেখছি, করব’ এই ত্রিস্তরের ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী হলের স্বল্পতা ও অনিরাপদ পরিবেশ দীর্ঘদিনের বাস্তবতা। নিরাপদ আবাসনের সংকট নারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া অনেক সময় সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসে চলাফেরা, গণপরিবহনে ওঠানামা, এমনকি টিউশনের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করাও তাদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়। ডাকসুর উচিত এসব বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয়ে কাজ করা, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাধ্যতামূলক লাইটিং, সিসি ক্যামেরা, নিরাপত্তা টহল এবং হেল্পলাইন চালু করা। শারীরিক ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়েও নারীদের জন্য পিরিয়ড-ফ্রেন্ডলি টয়লেট, স্যানিটারি ন্যাপকিনের সহজপ্রাপ্যতা, হেলথ ক্যাম্প, মানসিক স্বাস্থ্য কাউন্সেলিং এবং প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষার ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। এগুলো যেন কোনো বিলাসিতা না হয়ে উঠে, বরং মৌলিক অধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ডাকসুর উচিত এসব ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিয়ে প্রকল্প গ্রহণ। নারী যেন শুধু উপকারভোগী না হয়ে, নিজেই হয়ে ওঠে নেতৃত্বের অংশ। ডাকসুর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং উপ-কমিটিগুলোতে নারী নেতৃত্বকে দৃশ্যমান ও মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য কোটার চেয়ে বেশি দরকার একটি উৎসাহমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে নারীরা ভীত বা কোণঠাসা হয়ে নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে আসতে পারে।
ডাকসু হতে হবে একটি সমতার মঞ্চ। যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থী, তার পরিচয়, পটভূমি কিংবা মতাদর্শ নির্বিশেষে সমান মর্যাদা ও গুরুত্ব পাবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল শিক্ষার কেন্দ্র নয়, এটি ভাবনা, মত, সংস্কৃতি এবং মানবিক বৈচিত্র্যের মিলনস্থল। তাই এই প্রতিষ্ঠান যেন কোনো ধরনের বৈষম্য, প্রথাগত নির্যাতন, বা সামাজিক অসহিষ্ণুতার স্থান না হয়, সে দায়িত্ব প্রথমত ডাকসুর মতো একটি সংগঠনেরই। সংখ্যালঘু, ভিন্নধর্মী, আদিবাসী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, ট্রান্সজেন্ডার, নন-বাইনারি এবং এলজিবিটিকিউ+ সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা নিজস্ব সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলতে পারে এবং সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশের সমাজে যেখানে এখনো অনেক সামাজিক পরিচয়কে ঘিরে বিরূপ মনোভাব, কুসংস্কার ও অদৃশ্য বৈষম্য বিরাজমান। ডাকসুর উচিত ‘ইনক্লুসিভ ক্যাম্পাস পলিসি’ গ্রহণ, যার মাধ্যমে নীতি, ভাষা ও আচরণে বৈচিত্র্য এবং সমতার প্রতি শ্রদ্ধা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে চাই সহজ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ, শ্রবণ বা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য সহায়ক লার্নিং টুলস, চলাচল উপযোগী অবকাঠামো এবং পরীক্ষায় সময় বাড়ানোর মতো সমর্থনমূলক ব্যবস্থা। এসব যদি বাস্তবে কার্যকর না হয়, তাহলে ‘সমতা’ শুধু স্লোগানই থেকে যাবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উৎসব, সাংস্কৃতিক চর্চা, এবং বিশ্বাসের অনুশীলনে পূর্ণ স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করাও সমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। সমতা মানে সবার জন্য এক রকম আচরণ নয়, বরং প্রত্যেককে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সমান মর্যাদা ও সহযোগিতা প্রদান করা।
ডাকসু হতে হবে একটি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সক্ষমতা উন্নয়নের বহুমাত্রিক প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনার বিকাশে একটি নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা দিবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার উৎকর্ষ, চিন্তার স্বাধীনতা, এবং মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ। কেবল দেয়ালিকা প্রকাশে সীমাবদ্ধ না থেকে, এর দায়িত্ব হওয়া উচিত গবেষণা, আন্তর্জাতিক সংযোগ, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট এবং সংস্কৃতিচর্চার পথ প্রশস্ত করা। ডাকসু নিজেই হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ গবেষণার নেটওয়ার্কিং সেন্টার, যেখানে শিক্ষার্থীরা একাডেমিকভাবে এগিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে। ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, উদ্যোক্তা বিকাশ, সফট স্কিল ট্রেনিং, এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। চাকরির বাজারে টিকে থাকার জন্য কেবল সার্টিফিকেট নয়, দরকার বাস্তব দক্ষতা, ব্যক্তিত্ব গঠন, এবং যোগাযোগ দক্ষতা। শিল্প-সাহিত্য, সংগীত, নাটক, চলচ্চিত্র, বিতর্ক ও খেলাধুলা, সৃজনশীল চর্চাগুলোকে কেন্দ্র করে ডাকসুকে হতে হবে এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র। প্রতি বিভাগ বা হলভিত্তিক সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকশিত করার পাশাপাশি চাই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতা। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী সহযোগিতায় ডাকসুর সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
লেখক: সাবেক শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
(শিক্ষাবর্ষ: ২০১৬-১৭)
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন