কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কমিটির সদস্য ও কাঁচকোল ইউনিয়নের মৎস্য ব্যবসায়ী রামচন্দ্রকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছে স্থানীয় দুই ব্যক্তি। অভিযোগে উঠে এসেছে—পূর্ব বিরোধ এবং বিনা মূল্যে মাছ না দেয়ার কারণেই এ হামলা চালানো হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৭ জুলাই) চিলমারী উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের সামনে।
জানা গেছে, রামচন্দ্র তার ছোট ভাই—জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীকে সাহায্য চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে, ফেরার পথে চিলমারী উপজেলার নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ২৪ নম্বর সদস্য রুহুল আমিন এবং জুয়েল, পিতা আব্দুল বারী সরকার তার উপর চড়াও হন। তারা রামচন্দ্রকে মারধর করেন এবং হুমকি দিয়ে বলেন, “মাছ না দিলে চিলমারী উপজেলায় থাকতে দিব না, নদীতে মাছ ধরতে দিব না।”
রামচন্দ্র জানান, “আমি যখন ইউএনও অফিস থেকে বের হচ্ছিলাম, তখন তারা পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালি দিতে শুরু করে। পরে হঠাৎ করেই মারধর শুরু করে এবং তাড়া করে মারতে আসে। আমি জীবন বাঁচাতে দৌঁড়ে পালিয়ে যাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আইনের আশ্রয় নেব এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি এ ধরনের আক্রমণ সহ্য করব না। এটা শুধু আমার ওপর হামলা নয়, এটি পুরো হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি এক ধরনের বার্তা।”
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।